# AITC-এর উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতির দায়িত্বে সন্দীপ বিশ্বাস
#জেলায় নতুন রাজনৈতিক জল্পনা
#নব্য নাকি ভালো তৃণমূল! – শুরু জোর চর্চা
ভারত টিভি ডিজিটালঃ উত্তর দিনাজপুরের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এলেন রায়গঞ্জ পুরসভার প্রাক্তন প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস (AITC)-এর উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। শনিবার এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই জেলার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর সন্দীপ বিশ্বাস বলেন, **”আমি কোনো পন্থী নই, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছি। আগামী দিনে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”**
উল্লেখ্য, এক সময় তৃণমূল কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে জেলার রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন সন্দীপ বিশ্বাস। ২০১৭ সালে রায়গঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণের পর পরবর্তীকালে প্রশাসক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরবর্তী সময় পর্যন্ত তিনি পুরসভার প্রশাসক ছিলেন।
তবে তাঁর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছিল। শহরের পরিচ্ছন্নতা, আবর্জনা অপসারণে গাফিলতি, বেহাল রাস্তা এবং নাগরিক পরিষেবা নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ প্রকাশ্যে এসেছিল।
প্রশাসকের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর থেকেই তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা চলছিল। তিনি কোন রাজনৈতিক শিবিরে যোগ দেবেন, তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা ছিল। সেই জল্পনারই ইতি টেনে এবার তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলেন তিনি। তাতে তাকে নব্য তৃণমূল বা ভালো তৃণমূল বলেই কটাক্ষ করতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহল।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই নিয়োগের ফলে আগামী দিনে জেলার সংগঠনকে নতুনভাবে সাজানোর চেষ্টা করবে AITC। পাশাপাশি, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সংগঠনের সঙ্গে জেলার রাজনৈতিক সমীকরণ কীভাবে গড়ে ওঠে, সেদিকেও নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।
অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী শিবির। কংগ্রেস, বিজেপি-সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের বক্তব্য, **”যাহা বাহান্ন, তাহাই তেপ্পান্ন। নাম আলাদা হতে পারে, কিন্তু মানুষ সবই বোঝে। যে শিবিরেই থাকুন না কেন, রাজনীতির চরিত্র বদলায় না। জনগণ আগেও জবাব দিয়েছে, আগামী দিনেও দেবে।”**
সন্দীপ বিশ্বাসের এই নতুন দায়িত্ব উত্তর দিনাজপুরের রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখনই বলা কঠিন। তবে জেলার রাজনীতিতে যে নতুন বিতর্ক ও নতুন সমীকরণের সূচনা হয়েছে, তা নিয়ে কোনো সংশয় নেই।
#আরও লেটেস্ট খবর পেতে ফলো করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
।। সঙ্গে থাকুন, দেখতে থাকুন ভারত টিভি-আস্থার আওয়াজ।।